Posts

বিবর্তনবাদ (Evolution) এর কনসেপ্ট নিয়ে সব ধর্মেই সমস্যা।  এবার কোনো ধর্মে সেটা একটা কম কোনোটাতে মারাত্মক বেশি। যেমন:- খ্রিষ্টান:- মানুষ আদম আর ইভ থেকে এসেছে। বাইবেলের জেনেসিস অনুযায়ী গার্ডেন ও ইডেনের সেই ফল খাওয়ার জন্য তাদের সেখান থেকে বহিস্কার করা হয়। বলা হয় ভগবানের কথা অমান্য করে সেই ফল খাওয়ার তারা পাপ বহন করে (Original Sin) যেটা বংশবিস্তারের মাধ্যমে তাদের প্রজন্ম অর্থাৎ আজকের মানুষদের মধ্যেও সেই পাপ বহন হয়। এর থেকে উদ্ধারের রাস্তা যিশু কে নিজের Saviour হিসেবে গন্য করা। তার মাধ্যমেই সেই পাপ থেকে মানুষরা উদ্ধার হয়ে তাদের আত্মা Kingdom of heaven -এ প্রবেশ করতে পারে। ভালো কথা কিন্তু সমস্যা হচ্ছে যদি বিবর্তনবাদ সত্যি হয় তাহলে না কোনো আদম আর না কোনো ইভ থাকবে যার থেকে মানবজাতির সৃষ্টি। সেই অর্থে না কোনো original sin আর না যিশুর কোনো দরকার। এখানেই 

মনু স্মৃতি সম্পর্কে সামান্য কিছু কথা

হিন্দু ধর্ম গ্ৰন্থ মনু স্মৃতি খুবই একটি বিবাদিত শাস্ত্র। যদিও এই বিবাদের উৎসঃ খুব প্রাচীন নয়। আধুনিক সমাজ সংস্কারক তাদের হাত ধরেই এই গ্ৰনথে কে কেন্দ্র করে যত বিবাদ জন্ম বলা যায় প্রধানতঃ তার সুত্রপাত ডঃ বি. আর আম্বেদকর ২৫ ডিসেম্বর ১৯২৭, এই হিন্দু ধর্ম গ্ৰন্থ জ্বালিয়েছিলেন সকলের সামনে। তারপর থেকে বহু‌ লোকেই সেইদিন মনু স্মৃতির জ্বালায়, প্রধানত আম্বেদকরবাদী ও বামপন্থী। কিছু বছর আগে রাজস্থান হাই কোর্টের সামনে মহর্ষি মনুর মূর্তি কিছু দুষ্কৃতীরা আক্রমণ করেছিল। সুতরাং মনু ও মনু স্মৃতির প্রতি ঘৃণা অতি স্পষ্ট। এবার মুল প্রশ্ন মনু স্মৃতিতে কি এমন আছে? যার জন্য এতো ঘৃণা ও বিবাদ সেটিকে ঘিরে? সংক্ষেপে বললে মনু স্মৃতির যত সমালোচনা তার কেন্দ্র দুটি বিষয়কে ঘিরে নারীবিদ্বেষ ও বর্ণ ব্যবস্থা(caste system) যা হিন্দু সমাজের কাঠামো বলা যায়, তাতে শূদ্র ও অনান্য তথাকথিত নিম্ন জাতি তাদের নিয়ে বিদ্বেষমূলক শ্লোক। যারা এই মনু নিয়ে বিবাদ গুলো করে তাদের আপনি জিজ্ঞেস করুন কি আছে মনু স্মৃতিতে কতবার তারা বই টা পড়েছে ? তারা কোনোদিনও খুলেও দেখেনি সম্ভবত অধিকাংশ লোকে, তোতা পড়ানোর মতো যা ওদের বাবারা শিখিয়েছে সেট...
Indology- র দৃষ্টি দিয়ে আমাদের ধর্ম গ্ৰন্থ গুলো কে পড়ার কিছু ভয়ানক নমুনা আপনাদের আজ দেখাই। সাম্প্রতিককালে Asko Parpola-র একটি বই "Roots of Hinduism Early Aryans and the Indus Civilization Asko Parpola" পড়ছিলাম সেই নিয়ে লিখবো কথা দিয়েছিলাম। আজ সময় হয়েছে তাই একটু লিখি সেই সম্পর্কে। আজকের বিষয় Asko Parpola-র দৃষ্টিতে মহাভারত:- মহাভারত ও বাল্মীকির রামায়ণ আমাদের এই দুই  মহাকাব্য ইতিহাস মহলে বহুকাল ধরেই টানাটানি চলে। বহু স্কলার নিজের ভিন্ন ভিন্ন মত রেখেছে এই প্রসঙ্গে। ভালো থেকে শুরু করে ভয়ানক ও মনগড়া ইন্টারপ্রিটেশন রয়েছে। আজকে Parpola-র দৃষ্টিতে মহাভারতের ঐতিহাসিকতা সম্পর্কে বিচার আপনাদের দেখাই। তার মতে পান্ডবরা বাস্তবে নাকি ইরান থেকে আসা কোনো জনজাতি(tribe) ছিল যারা ভারতে প্রবেশ করে আর নিজেদের আধিপত্য স্থাপন করার উদ্দেশ্যে কুরুদের পূর্বদিকের অঞ্চলের পাঞ্চাল জনজাতির সাথে matrimonial alliance করে কৌরবদের যুদ্ধে পরাজিত করে। আর জয়ী হওয়ার পর নিজেরদের রাজত্ব ও আধিপত্য শক্তিশালী করার উদ্দেশ্যে নিজেদের তাদের শত্রু(কৌরবদের) বংশাবলিতে নিজেদের নাম নথিভুক্ত করে, আর কৌরবদের নিজের...

Radha (incomplete)

Image
From Vaishnava related scriptures:- * puranas:- Varah Puran Chapter 164. It describes the creation of Radhakunda which was established by Devi Radha herself. It removes all sins and it equal to great Vedic Yagyas. In Matsya-purāṇa 13. 38. adishakti herself states that she resides in 108 places with in 108 forms Out of which she clearly states that she is rukmani in dwarka and radha in vrindavan She was got as Bhūmi-kanyā (earth-girl) when King Vṛṣabhānu was preparing the ground to conduct a Yajña. (Padma Purāṇa; Brahma Purāṇa 7). Rādhā is considered to be one of the five forces which help Viṣṇu in the process of creation. Nārada Purāṇa 2. 81 worship of Sri Radha's image with Krishna, it is described in Vāsudeva mahatmya of Skanda purana. Beside these her innumerable references are there in Brahmāṇḍa-purāṇa III. 42. 21, 47-8; 43. 21  Sanatkumar Samhita has mentioned her name Many times Garga samhita describes how other gopis emerged from Radharani  Krishna sahasrana...